হানিফ এন্টারপ্রাইজ এর মালিকের দোষ চাপল হানিফ পরিবহনের মালিকের উপর

আবদুল আউয়াল জনি, সিটিজি ভয়েস:

হানিফ এন্টারপ্রাইজ ঢাকা-চট্টগ্রাম সহ সমগ্র বাংলাদেশে চলাচলকারী বিলাসবহুল যাত্রীবাহী বাস সার্ভিস। ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় ফাঁসির দন্ডপ্রাপ্ত আসামী মোহাম্মদ হানিফের মালিকানাধীন পরিবহণ সংস্থা অপরদিকে হানিফ পরিবহন চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে চলাচলকারী চট্টগ্রামের স্থানীয় মালিকদের পরিবহন সংস্থা হানিফ পরিবহনের চেয়ারম্যান আলহাজ্জ্ব মোহাম্মদ ফারুক ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক হলেন আলহাজ্জ্ব মোহাম্মদ কামাল হোসেন। উনাদের বাড়ী চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায়।

২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় ফাঁসির দন্ডপ্রাপ্ত আসামী মোহাম্মদ হানিফের মালিকানাধীন পরিবহণ সংস্থা হানিফ এন্টারপ্রাইজের সকল বাসকে অবাঞ্চিত ঘোষণা করে চট্টগ্রামে উক্ত বাস সার্ভিসের সকল বাস চলাচল বন্ধ এবং কাউন্ডারগুলোতে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছে ছাত্রলীগ।

আজ শনিবার (১৩ অক্টোবর) দুপুরে নগরীর নগরীর দামপাড়া গরিবুল্লাহ শাহ মাজার এলাকায় হানিফ পরিবহণের কাউন্ডার বন্ধ করে দেয় দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সদস্য আবু সাদাত মো. সায়েম এর নেতৃত্বে ছাত্রলীগের একটি দল।

এসময় নগরীর বাকলিয়া থানার কর্ণফুলি ব্রীজ এলাকায় চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে চলাচলকারী চট্টগ্রামের স্থানীয় মালিক আলহাজ্জ্ব মোহাম্মদ ফারুক ও আলহাজ্জ্ব মোহাম্মদ কামাল হোসেন এর পরিবহন সংস্থা হানিফ পরিবহনের কাউন্টারের কাউন্টারেও তালা ঝুলিয়ে দেয় ছাত্রলীগ। সিটিজি ভয়েসকে বিষয়টি জানান হানিফ পরিবহন এর জিএম নুরুল কবির সলিল।

জিএম নুরুল কবির সলিল আরো বলেন হানিফ এন্টারপ্রাইজ ও হানিফ পরিবহন দুটোর মালিক সম্পুর্ন আলাদা কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের নেতা শাহাদাত হোসেন সায়েম নামে ব্যক্তি এসে আমাদের কাউন্টার বন্ধ করতে বলে। কেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, ২১ অগাস্ট হত্যা মামলায় আপনাদের মালিকের মৃত্যুদণ্ড হয়েছে। আপনারা গাড়ি চালাতে পারবেন না। আমি বললাম, আমাদেরটা হানিফ পরিবহন। হানিফ এন্টারপ্রাইজের মালিকের সাজা হয়েছে। আমাদের সাথে হানিফ এন্টারপ্রাইজের কোন সম্পর্ক নেই। আমাদের লাইসেন্স সহ সবকিছু আলাদা। এটা নিয়ে আদালত পর্যন্ত বিচার গড়িয়েছে। মহামান্য আদালত দীর্ঘদিন আগে দুটি বাস সার্ভিসের নাম আলাদা করে দিয়েছে। এসব বলার পরেও তারা জোর করে আমাদের কাউন্টারে তালা ঝুলিয়ে দেয়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আবু তাহের সিটিজি ভয়েসকে বলেন, শাহাদাত হোসেন সায়েম দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক আহবায়ক আবদুল মালেক জনি হত্যার ১ নম্বর আসামি। সে কাউন্টার বন্ধ করে দিয়েছে শুনেছি আপনার কাছে। সে দক্ষিণ জেলা ও কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ থেকে সে বহিস্কৃত। তার কাউন্টার বন্ধ করে দেয়ার কোন কর্মসূচির সাথে দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগ নেই। তার কর্মসূচির সাথে দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগ জড়িত নয়।

মতামত