কি ইলেকশন গরর, কর্মীরে ভাতও দিত মন নচাইলে কিল্লাই ঘরত ডাকর

আবদুল আউয়াল জনি, সিটিজি ভয়েস টিভিঃ

কি ইলেকশন গরর, কর্মীরে ভাতও দিত মন নচাইলে কিল্লাই ঘরত ডাকর, চট্টগ্রামের আঞ্চলিক ভাষায় বলা কথাটির মর্মার্থ হল (নির্বাচনে কি ধরনের প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন? কর্মীকে যদি ভাত খাওয়াতে মন না চায় তাহলে কেন প্রচারণা চালানোর জন্য বাড়িতে ডাকছেন?) ৮ই অক্টোবর দুপুরে ভাত খেতে না পেয়ে চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী আবদুল গাফফার চৌধুরীর বাড়িতে নির্বাচনী প্রচারণার সাথে সংযুক্ত জসিম উদ্দিন নামের এক কর্মী আক্ষেপ করে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।

তিনি আরো বলেন, আমরা মামলা হামলার শিকার হয়েও মাঠে ছিলাম এখনো আছি কিন্তু দল থেকে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে এমন একজনকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে যিনি তাঁর সক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও কর্মীদের সামান্য খাবারের আয়োজন করতেও চাননা বিষয়টি আমাদের মত সাধারণ কর্মীদের কাছে কষ্টদায়ক, আমরা খেয়ে নাখেয়ে ওদের জন্য কাজ করব বিনিময়ে খাবার নাপেয়ে উপোস থাকতে হবে এটাই যেন আমাদের নিয়তি, ওদের মত আত্মকেন্দ্রীক নেতাদের কারণেই নেত্রীকে এখনো জেলে বন্দী থাকতে হয়েছে।

কর্মীরা ভাত খেতে না পাওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সাতকানিয়া উপজেলা বিএনপির সিনিয়র এক নেতা সিটিজি ভয়েস টিভিকে বলেন, দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহবায়ক আবু সুফিয়ান ভাই আসার কারণে অনেক নেতাকর্মীরা এসেছিল তাই শেষের দিকে খাবারের সংকট হয়েছিল সত্যি তবে পরে অনেক কর্মীকে আমরা বাইরের রেস্টুরেন্টে খাবারের ব্যাবস্থা করেছি কেউ খাবার না পেয়ে থাকলে সেটা অবশ্যই কষ্টদায়ক।

কর্মী জসিম উদ্দিনের অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, দল থেকে সাবেক ব্যাংকার আবদুল গাফফার চৌধুরীকে মনোনয়ন দিয়েছে তাই দলের সার্থ বিবেচনায় অনেকটা অপারগ হয়েই উনার সাথে প্রচারণায় থাকতে হচ্ছে, চেয়ারম্যান পদে যারা মনোনয়ন জমা দিয়েছে তাদের মধ্যে হলফনামায় আবদুল গাফফার চৌধুরীর সম্পদের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি, সক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও নির্বাচনী প্রচারণায় সাথে থাকা কর্মীদের জন্য সামান্য খাবারের আয়োজনেও যদি তিনি কৃপণতা দেখায় তাহলে তাকে কি বলব আপনিই বলুন।

এবিষয়ে উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান মুজিবের মোবাইলে ফোন করে জানতে চাইলে তিনি কোন মন্তব্য করতে রাজি হননি।

এবিষয়ে জানতে আবদুল গাফফার চৌধুরীর মোবাইলে বার বার ফোন করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।

মতামত