চট্টগ্রামে ডাক্তার-র‍্যাব-পুলিশসহ ১১ করোনা পজিটিভ: সাতকানিয়ার ২

আবদুল আউয়াল জনি, সিটিজি ভয়েস টিভি:

গত ২৪ ঘণ্টায় ফৌজদারহাটস্থ বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অভ ট্রপিক্যাল অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজেজে (বিআইটিআইডি) ১০০টি নমুনা পরীক্ষা করে চট্টগ্রাম মহানগরীতে ৭, সাতকানিয়ায় ২, বোয়ালখালীতে ১ মিরসরাইয়ে ১ এবং লক্ষ্মীপুর সদরে ১ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে।

সোমবার (২৭ এপ্রিল) রাতে এ তথ্য নিশ্চিত করেন চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. সেখ ফজলে রাব্বি।

তিনি বলেন, ‘ফৌজদারহাটে অবস্থিত বিআইটিআইডিতে গত ২৪ ঘণ্টায় ১০০টি নমুুুুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। রাত ১১ টা নাগাদ এসব পরীক্ষার ফলাফল তৈরি হলেও বিআইটিআইডির ল্যান ইন্টারনেট সংযোগ জটিলতায় ফলাফল ঘোষণা বিলম্বিত হয়।

এর মধ্যে চট্টগ্রামে করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছে ১১ জন। এনিয়ে চট্টগ্রামে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী পাওয়া গেছে ৬৪ জন।

স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও করোনা বিষয়ক সমন্বয় সেলের চট্টগ্রাম বিভাগীয় সমন্বয়ক ডা. আ ম ম মিনহাজুর রহমান তার ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে বলেন, চিকিৎসকদের করোনায় আক্রান্ত হওয়ার হার বাড়ছেই। আজ চট্টগ্রামে সনাক্ত হলেন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের মেডিসিন বিভাগের একজন সহকারী অধ্যাপক যিনি শুরু থেকেই করোনা যুদ্ধের একজন অগ্রগামী যোদ্ধা ছিলেন, একদিনের জন্যও হাসপাতালে রোগী দেখা বন্ধ করেননি। অসাধারণ মেধাবী এ চিকিৎসকের আক্রান্ত হবার সংবাদে মনটা খারাপ, ভীষণ রকম। এই মধ্যরাতেও হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হচ্ছে।মানসম্মত সুরক্ষা সামগ্রীবিহীন এ যুদ্ধে লড়াই করা দু:সাধ্য। কোন পরিস্থিতিতেই মানসম্মত সুরক্ষা নিশ্চিত না হয়ে রোগী দেখা যাবে না, কোনমতেই না।

আজ লক্ষীপুর সদর হাসপাতালের একজন চিকিৎসকের রিপোর্টও পজিটিভ। এ চিকিৎসকের নমুনা সংগ্রহ হয়েছিলো ২০এপ্রিল। চট্টগ্রামের আক্রান্ত চিকিৎসকের নমুনাও নেয়া হয়েছিলো দু’দিন আগে। চিকিৎসকদের রিপোর্ট পেতেও এতো দীর্ঘ সময়ক্ষেপনের নমুনাজট কোনমতেই গ্রহণযোগ্য নয়।এতে সংক্রমনের আশংকা বাড়ছে, প্রতিনিয়ত। চিকিৎসকদের সুস্থ রাখার যাবতীয় ব্যবস্থা নিশ্চিত করেই এ যুদ্ধ জিততে হবে, এ ছোট্ট জ্ঞানটুকু যত দ্রুত স্বাস্থ্য প্রশাসনের চেয়ারে বসা মাননীয়গণ উপলব্ধি করবেন, ততই মঙ্গল। আবার মস্তিস্কের নিউরনে ক্রমাগত অণুরননও হচ্ছে, সময়ই বা কতটুকু আছে, এই গবেটদের উপলব্ধির?

মতামত