জাতীয় শ্রমিক লীগের লোহাগাড়ার সভাপতি ফরিদের মৃত্যুতে আমিনুল ইসলামের শোক

আবদুল আউয়াল জনি, সিটিজি ভয়েস টিভি:

লোহাগাড়া উপজেলা জাতীয় শ্রমিক লীগের সভাপতি মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন মৃৃত্যুবরণ করেছেন। (ইন্নালিল্লাহি ওইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের উপ-প্রচার সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন। রবিবার বিকেলে মুঠোফোনে প্রতিবেদকের মাধ্যমে তিনি এ শোক প্রকাশ করেন।

তিনি উপজেলা জাতীয় শ্রমিক লীগের সভাপতি মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দিনের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা এবং তার শোক-সন্তপ্ত পরিবার-পরিজনের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

আমিনুল ইসলাম আমিন বলেন, ফরিদ উদ্দীনের  আকস্মিক মৃত্যু সংবাদ পেয়েছি সকালে। এমন একটি খবর শুনব সেটা আমি স্বপ্নেও ভাবিনি। ফরিদ অসুস্থ জানতাম তার সাথে কথাও হয়েছে। কিন্তু তার অবস্থা এতটা খারাপ সেও বলেনি আমিও ভাবতে পারিনি। কেউ সারাজীবন থাকে না আমরাও থাকবো না। তাই বলে এভাবে আমাদের ছেড়ে না ফেরার মিছিলে হারিয়ে যাবে তা এখনো বিশ্বাস হচ্ছে না!

ফরিদকে যখনই দলের যে দায়িত্ব দিয়েছিলাম সর্বোচ্চ সিনসিয়ারিটি দিয়ে সে দায়িত্ব পালন করেছে। দলের দুঃসময়ে তাকে ছায়ার মত পাশে পেয়েছি। এমন নিবেদিত প্রাণ কর্মী পাওয়া সত্যি ভাগ্যের ব্যাপার। উপজেলা শ্রমিক লীগের সভাপতির দায়িত্ব পেয়ে যেভাবে লোহাগাড়ায় সংগঠনকে সাজিয়েছে তা তার সাংগঠনিক দক্ষতার পরিচায়ক। ফরিদের মত সৎ, দক্ষ, কর্মীবান্ধব নেতার অভাব সহজে পূরণ হবার নয়। মহান আল্লাহর দরবারে তার জন্য জান্নাতুল ফেরদৌসের প্রার্থনা করছি।

৩রা মে ( রবিবার) ভোর সাড়ে ছয়টায় চট্টগ্রামের লোহাগাড়া সিটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্হায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন ফরিদ উদ্দীন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৪৮ বছর। তিনি স্ত্রী, ১ ছেলে ও এক মেয়ে সহ অসংখ্য সহকর্মী ও গুনগ্রাহী রেখে গেছেন। তিনি লোহাগাড়া সদর ইউনিয়নের দরবেশহাট সওদাগর পাড়ার মরহুম আসহাব মিয়ার পুত্র।

উল্লেখ্য, প্রয়াত ফরিদ উদ্দীনের শরীরে নানা রোগ বাসা বেঁধেছিল। ঢাকা সহ ভারতের বিভিন্ন হাসপাতালে বহুবার চিকিৎসা করিয়ে ছিলেন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর শারীরিক অবস্থার বেশ কয়েকবার উন্নতিও হয়েছিল। সবাইকে কাঁদিয়ে অাজ তার শেষ বিদায় হয়।

মতামত