ভেজাল ঘি তৈরির ১৯তম কারখানাটিও ধ্বংস ইউএনও রুহুল আমীনের হাতে

সিটিজি ভয়েস টিভি ডেস্ক:

অবশেষে বিষাক্ত কেমিক্যাল ও পামঅয়েল দিয়ে ঘি তৈরির ১৯ তম কারখানাটির সন্ধানও পেয়েছে হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুহুল আমীন এর পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালত। উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের ইসলামিয়া হাটের আলম বিল্ডিংয়ের এর নীচ তলায় পাওয়া যায় এই কারখানা।

মুদি দোকানদাররা শপথ করে বারবার শহর থেকে এই ঘি আনার কথা বললেও গোপন সূত্রে খবর পেয়ে শনিবার (১৬ মে) অভিযান চালায় ভ্রাম্যমাণ আদালত।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এর গতিবিধি পর্যবেক্ষণে রাখে অপরাধীরা। অভিযানে টের পেয়ে পালিয়ে যায় এই অসাধু ব্যাবসায়ীরা, তালা ভেঙে ঢুকতে হয় প্রশাসনকে। অভিযানে সত্যতাও মিলে। দেখা যায় পামওয়েল এর সাথে নানান কেমিক্যাল দিয়ে মেশানো একটা কেমিক্যাল । উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ রুহুল আমিনের নেতৃত্বে এই অভিযানে কাউকে পাওয়া না যাওয়াই শাস্তি, জরিমানা নিশ্চিত করা যায়নি।
এ ব্যাপারে মোহাম্মদ রুহুল আমিন বলেন, তারা আমাদের গাড়ির প্রতি চোখ রাখেন।রাস্তায় দুইজন সার্বক্ষণিক পাহারায় থাকেন।যখনই ইউএনওর গাড়ি আসবে তারা তালা দিয়ে পালিয়ে যান।

প্রতিবারই তালা ভেঙে কারখানায় ঢুকতে হয়েছে। মুদির দোকানদার শতভাগ নিশ্চিত যে এটা ঘি না,এটা পামওয়েল এর সাথে নানান কেমিক্যাল দিয়ে মেশানো একটি কেমিক্যাল। এই ঘি বিক্রি করলে তার দোকান থেকে অন্যান্য পণ্য বিক্রি হবে তাই তিনি জেনেশুনেই হাটহাজারী বাসীকে বিষ খাওয়াচ্ছেন।
সবাই সচেতন, কারও না কারোর বাড়িতেই চলছে এই ব্যবসা তবুও কেউ প্রশাসন কে হেল্প করছেন না,দিচ্ছেন না তথ্যও।

এই পর্যন্ত আজকের টা সহ মোট ১৯ টি কারখানা ধ্বংস করা হয়েছে,ভিডিও করে দোকানে দোকানে গিয়ে দেখানোও হয়েছে তবুও মুদির দোকানদাররা অধিক মুনাফার লোভ সামলাতে পারছেন না।
আসুন নিজের পরিবারের সদস্যদের যেভাবে ভালবাসি দেশের সকল মানুষকেও ঠিক সেভাবে ভালবাসতে চেষ্টা করি তাহলে এভাবে অন্যের মুখে বিষ তুলে দেয়া কষ্ট হবে।

মতামত