সুপার ঘুর্ণিঝড় আম্পানে বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গে অন্তত ১৮ জনের মৃত্যু

সিটিজি ভয়েস টিভি ডেস্ক:

সুপার সাইক্লোন আম্পানে বাংলাদেশ ও ভারতে মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ছে। এখন পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন এলাকায় মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে আট জনের। এছাড়া পশ্চিমবঙ্গে ১০ থেকে ১২ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

পটুয়াখালীতে দুজন, ভোলায় দুজন, লক্ষ্মীপুরে একজন, পিরোজপুরে একজন, সন্দ্বীপে একজন ও সাতক্ষীরায় একজন মারা গেছেন।

ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার মানিকা ইউনিয়নের চর কচ্ছপিয়া গ্রামের সিদ্দিক ফকির (৭০) বাড়ির পাশে গাছের নিচে চাপা পড়েন। তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রুহুল আমিন।

সকালে চট্টগ্রামে শ্রমিক হিসেবে কাজ করা মোহাম্মদ রাফিকুল ইসলাম (৩৫) ফিরছিলেন। লক্ষ্মীপুরের মজু চৌধুরীর ঘাট থেকে ট্রলারে করে ভোলার ইলিশা ঘাটে আসার পথে মেঘনায় ট্রলার উল্টে নিহত হন তিনি। লকডাউন অমান্য করার কারণে পরিবারের লোকজন তার মৃত্যুর ঘটনা শুরুতে গোপন রাখেন।

দ্বীপ উপজেলা সন্দ্বীপে আম্পান আসার আগেই জোয়ারের পানিতে ডুবে মো. সালাউদ্দিন (১৮) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়। দুপুরের দিকে সন্দ্বীপ পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

সন্দ্বীপ থানার পরিদর্শক তদন্ত মো. সোলাইমান জানান, উপকূলে ঘাস কাটতে গিয়ে ওই যুবক জোয়ারের পানিতে পড়ে যান। পরে স্থানীয়রা তার মরদেহ উদ্ধার করে।

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলায় ঝড়-বৃষ্টির মধ্যে দেয়াল চাপা পড়ে একজনের মৃত্যু হয়েছে।

উপজেলা শহরে মঠবাড়িয়া কলেজ এলাকায় বুধবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে এ ঘটনা ঘটে বলে জানান মঠবাড়িয়া থানার ওসি মো. মাসুদুজ্জামান।

সন্ধ্যার পর সাতক্ষীরায় গাছের ডাল পড়ে নারীর মৃত্যু হয়েছে। নিহ‌তের নাম করিমন। তার বয়স ৪০ বছর। সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসাদুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

অন্যদিকে ঘূর্ণিঝড় আম্পানে ভারতের পশ্চিমবঙ্গে ১০ থেকে ১২ জন মারা গেছেন বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা নাগাদ সুন্দরবনে আছড়ে পড়ার পর দক্ষিণে তাণ্ডব চালিয়ে যখন উত্তর ২৪ পরগনায় দাপিয়ে বেড়াচ্ছে প্রবল ঘূর্ণিঝড়, সেইসময় রাত ৯টার দিকে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এ তথ্য জানান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

মতামত