করোনা উপসর্গ নিয়ে লোহাগাড়ায় বিএনপি নেতার মৃত্যু: নমুনাজটের শঙ্কায় হয়নি পরিক্ষা

আবদুল আউয়াল জনি, সিটিজি ভয়েস টিভি:


সারাদেশের মত দক্ষিণ চট্টগ্রামেও থেমে নেই বৈশ্বিক মহামারী কভিট-১৯ ভাইরাসের সংক্রমণ, করোনা ভাইরাসের নানা উপসর্গ নিয়ে প্রতিদিন মৃত্যুবরণ করছেন অসংখ্য মানুষ। নমুনাজটের কারণে করোনা উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হলেও অনেকে আক্রান্ত কিনা সেটাও নিশ্চিত হওয়ার উপায় নেই।

তেমনই করোনা ভাইরাসের উপসর্গ জ্বর, সর্দি ও কাশি নিয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন লোহাগাড়া উপজেলা বিএনপি নেতা ও উপজেলা যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এম এ শুক্কুর (৩৮)। তিনি উপজেলার আমিরাবাদ ইউনিয়নের সৈয়দপাড়া এলাকার মৃত আজিজুর রহমানের পুত্র। মৃত যুবদল নেতা শুক্কুর দুই শিশু সন্তানের পিতা। শুক্রবার দুপুরে নিজবাড়িতে তার মৃত্যু হয়। চিকিৎসকের পরামর্শে বাড়িতেই চিকিৎসাধীন ছিলেন। শুক্রবার যোহরের সময় প্রচন্ড শ্বাসকষ্ট বেড়ে যাওয়ার কিছুক্ষণ পরপরই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন।

বাঁশখালীয়া পাড়ার হাজী মোহাম্মদ ওসমান জানান শুক্কুরের মৃত্যুতে শোকে স্তব্ধ হয়ে পড়েছে তার পরিবার। পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, ১০ থেকে ১২ দিন ধরে শুক্কুরের জ্বর, সর্দি ও কাশি থাকলেও নমুনাজটের কারণে দেরিতে রিপোর্ট পাওয়ার শঙ্কায় করোনা পরীক্ষা করা হয়নি। তবে চিকিৎসকের পরামর্শে বাড়িতেই চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি । শুক্রবার যোহরের সময় প্রচন্ড শ্বাসকষ্ট বেড়ে যাওয়ার কিছুক্ষণ পর মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে শুুুুুুক্কুর।

এম এ শুক্কুর সর্বশেষ উপজেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছিলেন। এটাই ছিল সর্বশেষ কমিটি। কেন্দ্র থেকে সারাদেশের জেলা-উপজেলার কমিটির বাতিল করে বিএনপি।

তাৎক্ষণিকভাবে শোক প্রকাশ করে বিবৃতি দিয়েছেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য ও লোহাগাড়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এম এম সলিম উদ্দিন খোকন চৌধুরী। তিনি বলেন, এম এ শুক্কুরের মৃত্যুতে বিএনপি হারালো এক নিবেদিতপ্রাণ কর্মী ও সমাজসেবক। দলের দুঃসময়ে যে কয়জন নেতাকর্মী যুবদলের হাল ধরে রেখেছিলেন শুক্কুর তাদের মধ্যে অন্যতম। দলের পক্ষ থেকে তাকে যখন যে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সেটা সে সততা ও নিষ্ঠার সাথে পালন করেছে। তিনি তার রুহের মাগফিরাত কামনা করেন ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।

মতামত