আমি এমপি সাহেবের দ্বিতীয় বউ, বিশ্বাস না হলে বিয়ের কাগজ দেখতে পারেন

সিটিজি ভয়েস টিভি ডেস্ক:

রাজশাহী-৪ আসনের এমপি এমানুল হককে স্বামী দাবি করে ফেসবুকে নানাধরনের পোস্ট দিয়ে আসছেন লিজা আকতার আয়েশা নামের এক নারী। আবার নিজেকে এমপির স্ত্রীও দাবি করছেন তিনি। নগরীর তেরোখাদিয়া এলাকায় বলে যানা যায় এই নারীর বাড়ি। এমপি এনামুলের সাথে থাকা একাধিক ছবিও ফেসবুকে পোস্ট করেন তিনি। যা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।

তবে ওই নারীর সঙ্গে তার বিয়ে হয়েছিল ঠিকই, দুর্ভাগ্যবশত আইনগতভাবে ডিভোর্সও হয়েছে বলে দাবি করেন এমপি এনামুল হক। নানা সময়ে টাকার জন্য ব্লকমেইল করতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এভাবে বহুবার তার সম্মানহানি করে। এ বিষয়ে তিনি আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা চিন্তাধারা করছেন।

গত শনিবার (৩০ মে) লিজা আক্তার আয়েশা নামের ওই নারী প্রথম ফেসবুকে লিখেন, ‘এমপি সাহেবের রক্ষিতা বা প্রেমিকা নই দ্বিতীয় বউ আমি।’ আরেকটি পোস্টে তিনি লিখেন, ‘এমপি সাহেব আমার এই কথাটা যদি কারো কাছে অবিশ্বাস্য মনে হয়, তারা বিয়ের কাগজ দেখতে পারেন।’

এর দুই ঘণ্টা পরে আরেকটি পোস্টে লিখেন, ‘একজন সংসদ সদস্য অনেক বড় অবস্থানের মানুষ। তার বিরুদ্ধে চাইলেই কেউ মিথ্যা অপবাদ দিতে পারে না। আমার কথাগুলো যদি মিথ্যা হইতো তাহলে এতক্ষণে পুলিশ আমাকে থানায় নিয়ে যেতো। আমি যা কিছু বলছি এবং বলবো সব সত্যি। আপনারা আমাকে বিরক্ত না করে ধৈর্য্য ধরে পাশে থাকুন।’ এরপর এমপি এনামুলের সঙ্গে একাধিক ছবিও পোস্ট করেন লিজা।

লিজা আরেকটি পোস্টে লিখেন, ‘২০১৮ সালের ১১ মে আমাদের বিয়ে হয়। প্রথমে আট বছর আগে আমাদের বিয়ে হয় মৌখিকভাবে। তার বাগমারার বাড়িতে। কিন্তু লিখিত বিয়ের পর গত দুই বছর ধরে তিনি আমাকে গোপনে স্ত্রীর পরিচয় দিয়ে আসছেন। এখন তিনি একটি ভুয়া কাগজ করে আমাকে তালাক দিয়েছেন। সেখানে আমার স্বাক্ষর জাল করা হয়েছে। এ কারণে আমি পরিস্থিতির শিকার হয়ে আমি ফেসবুকে এসব কথা বলেছি। আমি আমার সংসার করতে চাই আমার স্বামীর সঙ্গে।

এ প্রসঙ্গে গণমাধ্যমকে লিজা আক্তার আয়েশা এমপি এনামুলকে নিজের স্বামী দাবি করে বলেন, ‘আমি তার বিরুদ্ধে (এমপি) মামলা করতে চাই।’ মামলা করছেন না কেন-এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আদালত খুললে মামলা করবো।

মতামত