সাতকানিয়ায় ২টি ইটভাটা গুঁড়িয়ে দেয়া হলেও, একটিতে আংশিক অভিযান: জরিমানা ২ লাখ

সিটিজি ভয়েস টিভি ডেস্ক:

চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় অবৈধ ভাবে গড়ে উঠা ৩টি ইট ভাটায় অভিযান পরিচালনা করেছে পরিবেশ অধিদপ্তর ও চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত। সকাল থেকে অভিযানের ১ম দিনে উপজেলার অনুমোদনহীন ২টি ইট ভাটা গুড়িয়ে দিয়ে ১টি ভাটার চিমনীতে আংশিক ছিদ্র করে দিয়ে ২ লক্ষ টাকা জরিমানা করেছে পরিবেশ অধিদপ্তর ও জেলা প্রশাসনের আভিযানিক দল। অভিযান পরিচালনাকালে র‍্যাব, ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এস এম আলমগীরের নেতৃত্বে পরিবেশ অধিদপ্তর চট্টগ্রাম জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ আফজারুল ইসলামের সহযোগিতায় উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসময় এন এইচ বি ইট ভাটার মালিককে ২ লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়।

বুধবার বিকাল তিনটা পর্যন্ত তেমুহনী এলাকার এস বি এম নামের ইটভাটা, মাদারবাড়ী এলাকার সেভেন বি এম কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়ে গুড়িয়ে দেওয়া হয়।

চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলায় ৬৭টি ইট ভাটা থাকলেও অধিকাংশের নেই পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র, অবৈধ ভাবে পরিচালিত হয়ে আসছিল ইট ভাটা গুলো, উপজেলার কেরাণীহাট থেকে মৌলভীর দোকান পর্যন্ত এলাকায় অনেকগুলো জিগজাগ ইট ভাটা থাকলেও সেগুলোর অধিকাংশের নেই পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র, এছাড়াও উপজেলার নাপিতের চর, কলেজ রোড, মিটাদীঘি, লটমনি চুড়ামনি সহ বিভিন্ন এলাকায় অবস্থিত পরিবেশ বিনষ্টকারী অবৈধ ইঁট ভাটা গুলো গুড়িয়ে দেওয়ার আহবান জানিয়েছেন এসব এলাকার সাধারণ মানুষেরা।

ভিন্ন ভিন্ন উপজেলায় ভিন্নমাত্রার অভিযানের অভিযোগ নাকচ করে দিয়ে ম্যাজিষ্ট্রেট এসএম আলমগীর বলেন, লোহাগাড়া ও চন্দনাইশে আবার অভিযোগ চলবে এবং এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।

উল্লেখ্য, জনস্বার্থে মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইডটস এন্ড পিছ ফর বাংলাদেশ (এইচআরপিবি) এর প্রেসিডেন্ট আইনজীবি মনজিল মোর্শেদ হাইকোর্টে রীট দায়ের করেন। রীটের শুনানি শেষে চট্রগ্রামে যতগুলো অবৈধ ইটভাটা রয়েছে তা ৭ দিনের মধ্যে বন্ধ করে ১ মাসের মধ্যে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য পরিবেশ অধিদপ্তর ও চট্রগ্রাম জেলা প্রশাসককে নির্দেশ দেন হাইকোর্ট।

মতামত